০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনে সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের রেলহেড ডিপোতে আসতে শুরু করেছে ডিজেল। ৬০ ঘণ্টার মধ্যে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ডিপোর সংরক্ষণাগারে পৌঁছবে বলে জানা গেছে।

ডিপোর ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব জানান, সোমবার বিকাল থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়েছে। ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনে তেল পৌঁছাচ্ছে ডিপোতে। জ্বালানি সংকট মেটাতে ও মজুত স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিনাজপুরের পার্বতীপুর পাইপলাইনে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে।

সোমবার বিকাল থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে পার্বতীপুর ডিপোতে সরবরাহ শুরু হয়েছে। ডিপো কর্তৃপক্ষ বলছে আগের চুক্তি অনুযায়ী তেল আসছে। জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) এবং আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেডের (এনআরএল) কাছ থেকে চার মাসে ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।

দিনাজপুর জেলা পেট্রোলপাম্প ও জ্বালানি তেল পরিবেশক মালিক গ্রুপ সভাপতি মো. রজব আলী সরকার জানান, ভারত থেকে সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের রেলহেড তেল ডিপোতে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরবরাহ হয়ে থাকে। সোমবার বিকাল থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন তেল আসা শুরু হয়েছে।  একাধিক সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। পার্বতীপুর তেল ডিপো থেকে পেট্রোলপাম্পগুলোতে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোর তত্ত্বাবধায়ক জানিয়েছেন, প্রতিদিন  পেট্রোল অকটেন ১ লাখ ৩০ হাজার লিটারের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৫ হাজার লিটার। ডিজেল সরবরাহ কম থাকায় রেশনিং হারে পাম্পগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, কৃষিনির্ভর উত্তরের ৮ জেলায় চাষাবাদ সেচে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি ডিজেলনির্ভর জ্বালানি সরবরাহ যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আনতে ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল

আপডেট সময় ০৬:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনে সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের রেলহেড ডিপোতে আসতে শুরু করেছে ডিজেল। ৬০ ঘণ্টার মধ্যে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ডিপোর সংরক্ষণাগারে পৌঁছবে বলে জানা গেছে।

ডিপোর ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব জানান, সোমবার বিকাল থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়েছে। ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনে তেল পৌঁছাচ্ছে ডিপোতে। জ্বালানি সংকট মেটাতে ও মজুত স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিনাজপুরের পার্বতীপুর পাইপলাইনে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে।

সোমবার বিকাল থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে পার্বতীপুর ডিপোতে সরবরাহ শুরু হয়েছে। ডিপো কর্তৃপক্ষ বলছে আগের চুক্তি অনুযায়ী তেল আসছে। জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) এবং আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেডের (এনআরএল) কাছ থেকে চার মাসে ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।

দিনাজপুর জেলা পেট্রোলপাম্প ও জ্বালানি তেল পরিবেশক মালিক গ্রুপ সভাপতি মো. রজব আলী সরকার জানান, ভারত থেকে সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের রেলহেড তেল ডিপোতে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরবরাহ হয়ে থাকে। সোমবার বিকাল থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন তেল আসা শুরু হয়েছে।  একাধিক সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। পার্বতীপুর তেল ডিপো থেকে পেট্রোলপাম্পগুলোতে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোর তত্ত্বাবধায়ক জানিয়েছেন, প্রতিদিন  পেট্রোল অকটেন ১ লাখ ৩০ হাজার লিটারের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৫ হাজার লিটার। ডিজেল সরবরাহ কম থাকায় রেশনিং হারে পাম্পগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, কৃষিনির্ভর উত্তরের ৮ জেলায় চাষাবাদ সেচে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি ডিজেলনির্ভর জ্বালানি সরবরাহ যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আনতে ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।