০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

দ্রুত এনআইডি সংশোধনের সুযোগ, যেসব ডকুমেন্ট প্রয়োজন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ২২৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা জার্নাল: জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) যাদের তথ্য ভুল আছে, তাদের আগামী ২ জানুয়ারির আগে তা সংশোধন করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. শরিফুল আলম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যাদের এনআইডিতে ভুল আছে, তাদের জরুরি ভিত্তিতে এ সময়ের আগেই সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে তা সংশোধন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে যেসব ডকুমেন্টে প্রয়োজন-

১. নিজ পিতা/স্বামী/মাতার নাম সংশোধন-

আবেদনপত্রের সাথে যেসব দলিলাদি (এক বা একাধিক) দাখিল করতে হবে

এসএসসি/সমমান সনদ
নাগরিকত্ব সনদ
জন্ম সনদ
চাকুরির প্রমাণপত্র
পাসপোর্ট
নিকাহনামা
পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত দলিলাদি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে

সাধারণত: প্রাপ্তিস্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়

২. নিজের নাম পরিবর্তন

ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে-

এস.এস.সি/সমমান সনদের সত্যায়িত ফটোকপি
বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত অ্যাফিডেভিট
জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের কপি।
পরবর্তীতে কাগজপত্রের মূলকপিসহ ব্যক্তিগত শুনানীর জন্য উপস্থিত হতে হবে।

৩. বিবাহ/বিবাহবিচ্ছেদের কারণে সংশোধন-

বিবাহের কারণে স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলে- কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।
বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে- তালাকনামার সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
সাধারণত: প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

৪. পিতা/মাতার নাম পরিবর্তন-

পিতা/মাতার নাম আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে-

এসএসসি/এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্র/রেজিস্ট্রেশন কার্ড
পিতা/মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
পিতামাতা মৃত হলে অন্যান্য ভাইবোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য কাগজের সত্যায়িত কপি
প্রকল্প কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা প্রয়োজন হতে পারে।

৫. জন্মতারিখ সংশোধন-

যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি/সমমান-

তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে।
বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।
অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শন কিংবা ব্যক্তিগত শুনানি অংশ নেয়া প্রয়োজন হতে পারে।
যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনূর্ধ্ব এসএসসি/সমমান তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু তারিখের আগের তারিখের-

সার্ভিস বুক/এমপিও’র কপি
ড্রাইভিং লাইসেন্স
জন্ম সনদ
নিকাহনামা
পাসপোর্টের কপি প্রভৃতি দাখিল করতে হবে।
প্রকল্পকালিয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়, প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।

৬. বিবিধ সংশোধন-

জাতীয় পরিচয়পত্রে কোনো নামের পূর্বে পদবি, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না।

পিতা/স্বামী/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হবে
জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে ‘মৃত’ হিসেবে উল্লেখ করার কারণে
পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।

৭. রক্তের গ্রুপ সংশোধন-

রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে হলে মেডিকেল প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
৮. ঠিকানা সংশোধন-

ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ে ফরম-১৩/ফরম-১৪ এ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

প্রকল্প অফিসে ভোটার এলাকা পরিবর্তন ছাড়া শুধু ঠিকানায় নম্বর বা বানান ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হয়।
এজন্য পরিবারের কোনো সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি
গ্যাস/বিদ্যুৎ/টেলিফোন বিলের কপি,কর আদায়ের কপি
চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনারের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি দাখিল করতে হবে।
৯. হালনাগাদ কর্মসূচির সংশোধন/পুনঃ ইস্যু-

২০০৯ সালে হালনাগাদ কর্মসূচিতে যাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র কোনো ভুল থাকলে বা হারিয়ে গেলে ডিসেম্বর, ২০১০ মাসের পর যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল।

১০. সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ

বিতরণের জন্য নির্ধারিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে সংশোধিত পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

১১. হারানো পরিচয়পত্রের ডুপ্লিকেট ইস্যু-

পরিচয়পত্র হারানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানায় ভোটার নম্বর/আইডি নম্বর উল্লেখ করে জিডি করে তার মূল কপিসহ সাদা কাগজ/সরবরাহকৃত ছকে আবেদনপত্র নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র গ্রহণ করতে হবে।
প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। নম্বর ভুল হলে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র ইস্যুকরণ সময় সাপেক্ষ।
বিতরণের জন্য নির্ধারিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

দ্রুত এনআইডি সংশোধনের সুযোগ, যেসব ডকুমেন্ট প্রয়োজন

আপডেট সময় ০৩:১৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ঢাকা জার্নাল: জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) যাদের তথ্য ভুল আছে, তাদের আগামী ২ জানুয়ারির আগে তা সংশোধন করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. শরিফুল আলম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যাদের এনআইডিতে ভুল আছে, তাদের জরুরি ভিত্তিতে এ সময়ের আগেই সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে তা সংশোধন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে যেসব ডকুমেন্টে প্রয়োজন-

১. নিজ পিতা/স্বামী/মাতার নাম সংশোধন-

আবেদনপত্রের সাথে যেসব দলিলাদি (এক বা একাধিক) দাখিল করতে হবে

এসএসসি/সমমান সনদ
নাগরিকত্ব সনদ
জন্ম সনদ
চাকুরির প্রমাণপত্র
পাসপোর্ট
নিকাহনামা
পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত দলিলাদি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে

সাধারণত: প্রাপ্তিস্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়

২. নিজের নাম পরিবর্তন

ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে-

এস.এস.সি/সমমান সনদের সত্যায়িত ফটোকপি
বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত অ্যাফিডেভিট
জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের কপি।
পরবর্তীতে কাগজপত্রের মূলকপিসহ ব্যক্তিগত শুনানীর জন্য উপস্থিত হতে হবে।

৩. বিবাহ/বিবাহবিচ্ছেদের কারণে সংশোধন-

বিবাহের কারণে স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলে- কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।
বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে- তালাকনামার সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
সাধারণত: প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

৪. পিতা/মাতার নাম পরিবর্তন-

পিতা/মাতার নাম আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে-

এসএসসি/এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্র/রেজিস্ট্রেশন কার্ড
পিতা/মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
পিতামাতা মৃত হলে অন্যান্য ভাইবোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য কাগজের সত্যায়িত কপি
প্রকল্প কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা প্রয়োজন হতে পারে।

৫. জন্মতারিখ সংশোধন-

যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি/সমমান-

তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে।
বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।
অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শন কিংবা ব্যক্তিগত শুনানি অংশ নেয়া প্রয়োজন হতে পারে।
যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনূর্ধ্ব এসএসসি/সমমান তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু তারিখের আগের তারিখের-

সার্ভিস বুক/এমপিও’র কপি
ড্রাইভিং লাইসেন্স
জন্ম সনদ
নিকাহনামা
পাসপোর্টের কপি প্রভৃতি দাখিল করতে হবে।
প্রকল্পকালিয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়, প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।

৬. বিবিধ সংশোধন-

জাতীয় পরিচয়পত্রে কোনো নামের পূর্বে পদবি, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না।

পিতা/স্বামী/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হবে
জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে ‘মৃত’ হিসেবে উল্লেখ করার কারণে
পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।

৭. রক্তের গ্রুপ সংশোধন-

রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে হলে মেডিকেল প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
৮. ঠিকানা সংশোধন-

ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ে ফরম-১৩/ফরম-১৪ এ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

প্রকল্প অফিসে ভোটার এলাকা পরিবর্তন ছাড়া শুধু ঠিকানায় নম্বর বা বানান ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হয়।
এজন্য পরিবারের কোনো সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি
গ্যাস/বিদ্যুৎ/টেলিফোন বিলের কপি,কর আদায়ের কপি
চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনারের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি দাখিল করতে হবে।
৯. হালনাগাদ কর্মসূচির সংশোধন/পুনঃ ইস্যু-

২০০৯ সালে হালনাগাদ কর্মসূচিতে যাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র কোনো ভুল থাকলে বা হারিয়ে গেলে ডিসেম্বর, ২০১০ মাসের পর যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল।

১০. সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ

বিতরণের জন্য নির্ধারিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে সংশোধিত পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

১১. হারানো পরিচয়পত্রের ডুপ্লিকেট ইস্যু-

পরিচয়পত্র হারানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানায় ভোটার নম্বর/আইডি নম্বর উল্লেখ করে জিডি করে তার মূল কপিসহ সাদা কাগজ/সরবরাহকৃত ছকে আবেদনপত্র নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র গ্রহণ করতে হবে।
প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। নম্বর ভুল হলে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র ইস্যুকরণ সময় সাপেক্ষ।
বিতরণের জন্য নির্ধারিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।