০২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

রোদে পোড়া কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো এক মানবিক যুদ্ধের গল্প

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২৯ বার পড়া হয়েছে

একটু সহযোগিতাই হতে পারে তাদের ভরসা

প্রচণ্ড খরতাপ। মাথার ওপর সূর্য যেন আগুন ঢালছে। এই অসহনীয় গরমে যখন আমরা ফ্যানের নিচে কিংবা এসি রুমে বিশ্রাম নিই, ঠিক তখন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খাটছেন আমাদের অন্নদাতা কৃষকরা। তৃষ্ণায় যখন তাদের বুক ফেটে যায়, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকে না—এমন ধারণা এখন আর সত্যি নয়। কারণ, তাদের জন্য আছেন ‘মানবিক একরাম’ ও তার ‘কৃষক মানবিক সংগঠন’।

মাঠের নায়ক যারা

গৌরীপুর উপজেলার গজন্দর গ্রামের একদল তরুণ ২০১৮ সাল থেকে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। ‘মানুষ মানুষের জন্য যুব সমিতি’ (রেজিঃ নং: ময় ১৫৪, গৌরী ০০৬) নামে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি বর্তমানে ফেসবুকে ‘কৃষক মানবিক সংগঠন’ নামেই বেশি পরিচিত। ২৫ জন সদস্যের এই দলটি প্রতিদিন ছুটে যায় ফসলের মাঠে। তাদের কাঁধে থাকে কৃষকের জন্য শুকনা খাবার, হাতে থাকে শীতল শরবত।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী ও মানবাধিকার কর্মী মানবিক একরামের নেতৃত্বে, এই তরুণরা নিজস্ব অর্থায়নেই কৃষকের ঘাম মুছিয়ে মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন।

শুধু খাবার নয়, সমাজ সংস্কারেও অগ্রগামী

শুধুমাত্র কৃষকদের খাবার বা শরবত খাওয়ানোই তাদের কাজ নয়। এই সংগঠনটি গ্রামীণ জনপদের এক সত্যিকার বাতিঘর। তাদের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:

দরিদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও কীটনাশক বিতরণ।

সরকারি অনুদানের অপেক্ষায় না থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে জরাজীর্ণ গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার।

তরুণ সমাজকে বাঁচাতে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন।

কেন প্রয়োজন আপনার সহযোগিতা?

এতদিন এই মহান কাজটি মানবিক একরাম ও সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে চালিয়ে আসছেন। কিন্তু চাহিদার তুলনায় তাদের সামর্থ্য সীমিত। গজন্দর গ্রামস্থ অফিস থেকে পরিচালিত এই কার্যক্রমটি এখন আর শুধু একটি গ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হচ্ছে না, এর প্রয়োজন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো উপজেলায়।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মানবিক একরাম বলেন, “নিজস্ব অর্থায়নে আমরা সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এই মহৎ কাজকে আরও বিস্তৃত করতে এবং আরও বেশি সংখ্যক কৃষকের পাশে দাঁড়াতে আমাদের সরকারি ও বেসরকারি অনুদান একান্ত প্রয়োজন।”

মানবিকতার এই যাত্রায় আপনিও হোন সঙ্গী

কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ। যারা আমাদের জন্য রোদে পুড়ে ফসল ফলায়, তাদের এক গ্লাস শীতল পানি বা একটু ভালো রাস্তা উপহার দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ‘কৃষক মানবিক সংগঠন’-এর এই যাত্রায় আপনার প্রতিষ্ঠানের সিএসআর (CSR) ফান্ড কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র অনুদান আনতে পারে বিশাল পরিবর্তন।

আসুন, ময়মনসিংহের এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকে নিভে যেতে না দিই। বাড়িয়ে দেই সহযোগিতার হাত।

যোগাযোগ ও তথ্যের জন্য:

অফিস:গ্রাম- গজন্দর,পোস্ট ও থানা-গৌরীপুর,জেলা-ময়মনসিংহ।মোবাইল নাম্বারঃ০১৭৩৯৬৫৫১৫০(বিকাশ)

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Anisul Haque

Md. Anisul Haque (Anis) Khulna District Correspondent — Dhaka Journal Md. Anisul Haque is a dedicated journalist and digital content creator, currently serving as the Khulna District Correspondent for the online news portal 'Dhaka Journal'. In addition to his reporting, he possesses expertise in graphics design and video editing, which enhances the visual storytelling of his news presentations. Prior to his career in journalism, he served in the Bangladesh Jail department as a Prison Guard (No. 42564). Alongside his professional reporting, he manages the Islamic platform 'The Quran Voice' and is actively involved in creating social awareness and entertainment-based digital content. He is committed to objective journalism and driving positive social change through his creative endeavors.

রোদে পোড়া কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো এক মানবিক যুদ্ধের গল্প

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

একটু সহযোগিতাই হতে পারে তাদের ভরসা

প্রচণ্ড খরতাপ। মাথার ওপর সূর্য যেন আগুন ঢালছে। এই অসহনীয় গরমে যখন আমরা ফ্যানের নিচে কিংবা এসি রুমে বিশ্রাম নিই, ঠিক তখন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খাটছেন আমাদের অন্নদাতা কৃষকরা। তৃষ্ণায় যখন তাদের বুক ফেটে যায়, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকে না—এমন ধারণা এখন আর সত্যি নয়। কারণ, তাদের জন্য আছেন ‘মানবিক একরাম’ ও তার ‘কৃষক মানবিক সংগঠন’।

মাঠের নায়ক যারা

গৌরীপুর উপজেলার গজন্দর গ্রামের একদল তরুণ ২০১৮ সাল থেকে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। ‘মানুষ মানুষের জন্য যুব সমিতি’ (রেজিঃ নং: ময় ১৫৪, গৌরী ০০৬) নামে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি বর্তমানে ফেসবুকে ‘কৃষক মানবিক সংগঠন’ নামেই বেশি পরিচিত। ২৫ জন সদস্যের এই দলটি প্রতিদিন ছুটে যায় ফসলের মাঠে। তাদের কাঁধে থাকে কৃষকের জন্য শুকনা খাবার, হাতে থাকে শীতল শরবত।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী ও মানবাধিকার কর্মী মানবিক একরামের নেতৃত্বে, এই তরুণরা নিজস্ব অর্থায়নেই কৃষকের ঘাম মুছিয়ে মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন।

শুধু খাবার নয়, সমাজ সংস্কারেও অগ্রগামী

শুধুমাত্র কৃষকদের খাবার বা শরবত খাওয়ানোই তাদের কাজ নয়। এই সংগঠনটি গ্রামীণ জনপদের এক সত্যিকার বাতিঘর। তাদের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:

দরিদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও কীটনাশক বিতরণ।

সরকারি অনুদানের অপেক্ষায় না থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে জরাজীর্ণ গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার।

তরুণ সমাজকে বাঁচাতে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন।

কেন প্রয়োজন আপনার সহযোগিতা?

এতদিন এই মহান কাজটি মানবিক একরাম ও সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে চালিয়ে আসছেন। কিন্তু চাহিদার তুলনায় তাদের সামর্থ্য সীমিত। গজন্দর গ্রামস্থ অফিস থেকে পরিচালিত এই কার্যক্রমটি এখন আর শুধু একটি গ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হচ্ছে না, এর প্রয়োজন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো উপজেলায়।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মানবিক একরাম বলেন, “নিজস্ব অর্থায়নে আমরা সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এই মহৎ কাজকে আরও বিস্তৃত করতে এবং আরও বেশি সংখ্যক কৃষকের পাশে দাঁড়াতে আমাদের সরকারি ও বেসরকারি অনুদান একান্ত প্রয়োজন।”

মানবিকতার এই যাত্রায় আপনিও হোন সঙ্গী

কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ। যারা আমাদের জন্য রোদে পুড়ে ফসল ফলায়, তাদের এক গ্লাস শীতল পানি বা একটু ভালো রাস্তা উপহার দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ‘কৃষক মানবিক সংগঠন’-এর এই যাত্রায় আপনার প্রতিষ্ঠানের সিএসআর (CSR) ফান্ড কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র অনুদান আনতে পারে বিশাল পরিবর্তন।

আসুন, ময়মনসিংহের এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকে নিভে যেতে না দিই। বাড়িয়ে দেই সহযোগিতার হাত।

যোগাযোগ ও তথ্যের জন্য:

অফিস:গ্রাম- গজন্দর,পোস্ট ও থানা-গৌরীপুর,জেলা-ময়মনসিংহ।মোবাইল নাম্বারঃ০১৭৩৯৬৫৫১৫০(বিকাশ)