০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

মির্জাপুরে মালয়েশিয়ার মসজিদের আদলে নির্মিত হবে মসজিদ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:২৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • / ৭১ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ রনি সিকদার,মির্জাপুর টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার  বেলতৈল উত্তর পাড়া বটতলা এলাকায় বায়তুল আমান জামে মসজিদের নির্মান কাজের শুভ উদ্বোধন করা হলো।দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী আর আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই মসজিদটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

মালয়েশীয় স্থাপত্যের ছোঁয়া মসজিদটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর নির্মাণশৈলী। মসজিদ কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুল কাদের সিকদার জানান, মসজিদটি মালয়েশিয়ার বিখ্যাত মসজিদ সেন্ডায়ান (Masjid Sendayan)-এর আদলে নির্মাণ করা হচ্ছে। উন্নতমানের কারুকার্য এবং নান্দনিক নকশার সমন্বয় ঘটানো হয়েছে এই নির্মাণ প্রকল্পে, যা দূর থেকে পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। জুমা’র নামাজের পর এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়, যেখানে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং মসজিদের নির্মাণ কাজের সফল সমাপ্তি কামনা করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে মসজিদটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান আবদুল কাদের সিকদার বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল এই এলাকায় এমন একটি ইবাদতখানা তৈরি করা, যা কেবল ধর্মীয় কাজের জন্যই নয়, বরং স্থাপত্যের দিক থেকেও হবে অনন্য। আশা করি, এটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি গর্বের স্থান হবে। এ নির্মান কাজে সকলের সহযোগিতা চেয়ে মসজিদ প্রতিষ্ঠা কালীন ইতিহাস ও জমি দাতা সহ তৎকালীন স্থানীয় মুরুব্বিদের কথা স্বরন করে কান্নায় ভেঙে পরেন ও সকলের জন্য দোয়া কামনা করেন।”

নির্মান শেষে মসজিদটি দেখতে এমন হবে-

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাদের এলাকায় এত সুন্দর একটি মসজিদ নির্মিত হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকায় বয়স্ক ও তরুণ—সব বয়সী মুসল্লিদের জন্য ইবাদত করা এখন আরও সহজ ও আরামদায়ক হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মির্জাপুরে মালয়েশিয়ার মসজিদের আদলে নির্মিত হবে মসজিদ

আপডেট সময় ০৫:২৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মোহাম্মদ রনি সিকদার,মির্জাপুর টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার  বেলতৈল উত্তর পাড়া বটতলা এলাকায় বায়তুল আমান জামে মসজিদের নির্মান কাজের শুভ উদ্বোধন করা হলো।দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী আর আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই মসজিদটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

মালয়েশীয় স্থাপত্যের ছোঁয়া মসজিদটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর নির্মাণশৈলী। মসজিদ কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুল কাদের সিকদার জানান, মসজিদটি মালয়েশিয়ার বিখ্যাত মসজিদ সেন্ডায়ান (Masjid Sendayan)-এর আদলে নির্মাণ করা হচ্ছে। উন্নতমানের কারুকার্য এবং নান্দনিক নকশার সমন্বয় ঘটানো হয়েছে এই নির্মাণ প্রকল্পে, যা দূর থেকে পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। জুমা’র নামাজের পর এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়, যেখানে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং মসজিদের নির্মাণ কাজের সফল সমাপ্তি কামনা করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে মসজিদটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান আবদুল কাদের সিকদার বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল এই এলাকায় এমন একটি ইবাদতখানা তৈরি করা, যা কেবল ধর্মীয় কাজের জন্যই নয়, বরং স্থাপত্যের দিক থেকেও হবে অনন্য। আশা করি, এটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি গর্বের স্থান হবে। এ নির্মান কাজে সকলের সহযোগিতা চেয়ে মসজিদ প্রতিষ্ঠা কালীন ইতিহাস ও জমি দাতা সহ তৎকালীন স্থানীয় মুরুব্বিদের কথা স্বরন করে কান্নায় ভেঙে পরেন ও সকলের জন্য দোয়া কামনা করেন।”

নির্মান শেষে মসজিদটি দেখতে এমন হবে-

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাদের এলাকায় এত সুন্দর একটি মসজিদ নির্মিত হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকায় বয়স্ক ও তরুণ—সব বয়সী মুসল্লিদের জন্য ইবাদত করা এখন আরও সহজ ও আরামদায়ক হবে।