ঝিনাইদহের পুরাতন কারাগার বিলুপ্ত: হারিয়ে গেল এক শতাব্দীর ইতিহাস-ঐতিহ্য
- আপডেট সময় ১২:১৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৩৪ বার পড়া হয়েছে
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | ঢাকা জার্নাল ডেস্ক (হাসিব)
ঝিনাইদহ জেলার আরেকটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যময় স্থাপনা আজ ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিল। কথা হচ্ছে—ঝিনাইদহের পুরাতন কারাগারটি নিয়ে, যা সম্প্রতি বিলুপ্ত করা হয়েছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১৮ সালে প্রায় ১.৫৬ একর জমির ওপর নির্মিত এই কারাগারটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে জেলার ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
এই কারাগারের প্রতিটি দেয়ালে জড়িয়ে আছে ঝিনাইদহ জেলার অসংখ্য কিংবদন্তি রাজনীতিবিদের দুঃখ-কষ্ট, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের স্মৃতি। একই সঙ্গে এখান থেকেই বহু সাজাপ্রাপ্ত আসামি তাদের শাস্তি ভোগ শেষে সংশোধিত হয়ে পরিবার ও সমাজে ফিরে গিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করেছেন। ফলে এই কারাগারটি কেবল একটি দণ্ডপ্রতিষ্ঠানই নয়, বরং সমাজ পরিবর্তন ও মানবিক রূপান্তরের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত ছিল।
ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এই মূল্যবান নিদর্শন সংরক্ষণের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই জেলার একটি সুনামধন্য সামাজিক সংগঠন দশে মিলে ঝিনাইদহ গড়ি পুরাতন কারাগারটিকে একটি জাদুঘরে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাদের মতে, এ ধরনের স্থাপনা সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাস জানার সুযোগ পেত এবং জেলার সাংস্কৃতিক পরিচিতিও আরও সমৃদ্ধ হতো।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই আজ ঝিনাইদহ তার একটি অমূল্য স্মারক হারালো। তারা মনে করেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য ছাড়া কোনো জাতিই উৎকৃষ্ট হতে পারে না। অথচ প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবে আমরা ক্রমেই আমাদের ঐতিহ্য ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছি, যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
এ ঘটনায় সংস্কৃতি ও ইতিহাসপ্রেমী মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই বলছেন, উন্নয়নের পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণের ভারসাম্য রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে এমন ক্ষতি আরও




























